এতো অাত্নত্যাগ! তবু দিন শেষে কানে বাজে গগন বিদারী গালি পুলিশ কোন চ্যাটের বাল! (গালিটি সাংকেতিক ভাষায় বুঝানোর ইচ্ছে নেই।যেহেতু সভ্য সমাজ অাত্নত্যাগের উপহার হিসেবে দিয়েছে)।
যা হোক মুল কথায় অাসি, একটি ছেলে যখন পুলিশ শব্দটি নিজের শরীরে জড়ায় তখন সে মৃত্যু জেনেই পবিত্র শব্দটি গায়ে নেয়।সে জীবিত অবস্থায় মৃত। যে জীবনটি পুলিশ পার করে এটা কোন জীবন নয়।যে জীবনের কোন ধারাবাহিকতা নেই তা জীবন নয়। ডিউটির উপর ডিউটি তারউপর তো অাইনের অনুশাসনের নামে প্রহসন অাছেই।ব্যারাক নামের কয়েদ খানা যেটা সেটা দেখলে নিশ্চিত সভ্য সমাজের দম বন্ধের উপক্রম হবে।
ভেবে দেখুন না! জীবনের অল্প একটু সময় একটা খারাপ মানুষের সাথে কাটালে সেটা জীবনে কতবার মনে করেন তার হিসেব নেই।অার পুলিশ ২৪ টা ঘন্টা চোর মাস্তান এর সাথে বসবাস।অফিস শেষে ক্লান্ত হয়ে ঠিকই সভ্য সমাজ বউয়ের কাছে গা এলিয়ে বলেন ওগো এক গ্লাস পানি দাও তো!পুলিশ অাপনার ডাবল ওয়ার্ক শেষেও গা এলাতে পারেন না রোলকল অাছে বলে।অাপনি তো একটা সময় সোনামনি টারে না দেখলে ঠিক থাকতে পারেন না।
বিলিভ মি অনেক পুলিশ অাছে সন্তান জন্মের পর মাসের পর মাস গেছে ডিউটি চাপে অার সন্তানের মুখ দেখতে পারেনি।যা হোক অামার মনে হয়, যে মানুষ গুলো নিজের সব শেষ করেও এভাবে গালি খাচ্ছে। অার যারা গালি দিচ্ছে তারা মীরজাফর ছাড়া অার কিছু হতে পারেনা ।এখন বুঝতে শিখে গেছি সভ্য সমাজের ট্রেডিশন হয়ে গেছে সবসময পুলিশ শব্দ টাকে গালাগাল দেওয়া।সব শেষে এই বুঝি তারা সব চাইতে বড় অসভ্য। এখন শুধু গালির প্রতিউত্তর মুচকি হেসে বলি তারা অামার বাল ছিড়ুক।
শব্দ অপরাধ মার্জনীয়।
অনিন্দ্য শুভ
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ঢাকা
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ঢাকা


0 Comments